আবু তাহের মজুমদার ১৯৪০ সালের ২৯ জানুয়ারি ফেনীর হাসানপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সাফায়েত আহমেদ মজুমদার এবং মাতা মোসাম্মাত হাসান বানু বেগম। পরিণয়সূত্রে তিনি বেগম জেকিয়া সুলতানার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
শিক্ষা জীবনে তিনি অত্যন্ত মনোনিবেশী ছিলেন। ১৯৭২ সালে যুক্তরাজ্যের ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণার মাধ্যমে এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৮-৭৯ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংস কলেজে কমনওয়েলথ একাডেমিক স্টাফ ফেলো হিসেবে গবেষণা চালান। এরপর ১৯৯০-৯১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ফ্লোরিডায় সিনিয়র ফুলব্রাইট রিসার্চ ফেলো হিসেবে গবেষণা সম্পন্ন করেন।
আবু তাহের মজুমদার
শিক্ষকতা ও একাডেমিক ক্যারিয়ার
আবু তাহের মজুমদার বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারী ও সরকারী কলেজে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করার পর ১৯৭৩ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে যোগদান করেন। ১৯৮৫ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তিনি অধ্যাপক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাদান ও গবেষণার দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালের পর থেকে তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপক এবং চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত আছেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তার আন্তরিকতা ও শিক্ষাদানের দৃষ্টিভঙ্গি শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী প্রভাব রেখেছে।
সাহিত্যিক ও অনুবাদকর্ম
শাহরিয়ার শুধু শিক্ষাবিদ নন, তিনি একজন কবি এবং লেখক হিসেবেও সমাদৃত। তাঁর গবেষণা ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো জীবনানন্দ দাশের উপর লেখা সাহিত্যসমালোচনা। তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্লেষণ ও সমালোচনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আবু তাহের মজুমদারের অনুবাদকর্মও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ পাঠককেও সাহিত্য ও জ্ঞানের উৎসাহ দিয়েছেন।

কবিতা
- দেয়ালের-ফ্রেমে
- ফেরার পথে
- মানুষ শ্বাপদ হয়
- এই পথে
- কলহান্তরিতা
- চিঠি দিও
- অনন্তকাল এই জানালায়
- হৃদয় তোমার বিস্ফোরণে
- আমি আঁধারেই থাকতে চাই