সৌরকরোজ্জ্বল কবিতা – সাতটি তারার তিমির কবি জীবনানন্দ -দাশের লেখা পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৫৫ বঙ্গাব্দ) কলকাতা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই এই কাব্যগ্রন্থের বিরুদ্ধে দুবোর্ধ্যতার অভিযোগ ওঠে।
সৌরকরোজ্জ্বল কবিতা

কবিতা:সৌরকরোজ্জ্বল কবিতা
কবির নাম: জীবনানন্দ- দাশ
কবি: জীবনানন্দ -দাশ
কাব্যগ্রন্থের নাম:সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থ

পরের ক্ষেতের ধানে মই দিয়ে উঁচু করে নক্ষত্রে লাগানো
সুকঠিন নয় আজ;
যে-কোনো পথের বাঁকে ভাঙনের নদীওর শিয়রে
তাদের সমাজ।
তবুও তাদের ধারা–ধর্ম অর্থ কাম কলরব কুশীলব-
কিংবা এ সব থেকে আসন্ন বিপ্লব
ঘনায়ে–ফসল ফলায়ে–তবু যুগে যুগে উড়ায়ে গিয়েছে পঙ্গপাল।
কাল তবু–হয়তো আগামী কাল।
তবুও নক্ষত্র নদী সূর্য নারী সোনার ফসল মিথ্যা নয়।
মানুষের কাছ থেকে মানবের হৃদয়ের বিবর্ণতা ভয়
শেষ হবে; চতুর্থ–আরো সব
আন্তর্জাতিক গ’ড়ে ভেঙে গ’ড়ে দীপ্তিমান কৃষিজাত জাতক মানব।
আরও দেখুন:
“সৌরকরোজ্জ্বল কবিতা – জীবনানন্দ দাশ ( সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থ , ১৯৪৮)”-এ 1-টি মন্তব্য