সাতটি তারার তিমির কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৫৫ বঙ্গাব্দ) কলকাতা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই এই কাব্যগ্রন্থের বিরুদ্ধে দুবোর্ধ্যতার অভিযোগ ওঠে।
প্রকাশনা তথ্যাদি:
সাতটি তারার তিমির ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। গুপ্ত রহমান এ্যান্ড গুপ্ত প্রকাশনী থেকে প্রকাশক আতাউর রহমান এটি প্রকাশ করেন। প্রচ্ছদ করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। প্রথম প্রকাশের সময় বইটির দাম রাখা হয় আড়াই টাকা। বইটি উৎসর্গ করা হয় হুমায়ুন কবিরকে।

কবিতাসূচী:
এই কাব্যগ্রন্থে মোট চল্লিশটি(৪০) কবিতা অন্তর্ভুক্ত আছে। কবিতাগুলোর শিরোনাম হলোঃ
- আকাশলীনা
- ঘোড়া
- সমারূঢ়
- নিরঙ্কুশ
- রিস্টওয়াচ
- গোধুলিসন্ধির নৃত্য
- সেইসব শেয়ালেরা
- সপ্তক
- একটি কবিতা
- অভিভাবিকা
- মনোসরণি
- নাবিক
- রাত্রি
- লঘু মুহূর্ত
- হাঁস
- উন্মেষ
- চক্ষুস্থির
- ক্ষেতে-প্রান্তরে
- বিভিন্ন কোরাস
- স্বভাব
- প্রতিতী
- ভাষিত
- সৃষ্টির তীরে
- জুহু
- সোনালি সিংহের গল্প
- অনুসূর্যের গান
- তিমির হননের গান
- বিষ্ময়
- সৌরকরোজ্জ্বল
- সূযর্তামসী
- রাত্রির কোরাস
- নাবিকী
- সময়ের কাছে
- লোকসামান্য
- জনান্তিকে
- মকরসংক্রান্তির রাতে
- উত্তরপ্রবেশ
- দীপ্তি

জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷ তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম৷ তার কবিতায় পরাবাস্তবের দেখা মিলে৷ জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন ৷
আরও দেখুন:
“সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থ – জীবনানন্দ দাশ ( ১৯৪৮)”-এ 2-টি মন্তব্য