সুদর্শনা কাব্যগ্রন্থ কবি জীবনানন্দ দাসের কাব্যগ্রন্থ যা কবির মৃত্যুর অনেক বছর পর ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। গোপালচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘সুদর্শনা’ কাব্যগ্রন্থ সংকলিত কবিতার সংখ্যা ৪০।

সুদর্শনা কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

সুদর্শনা কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহঃ
| এই পথ দিয়ে |
| তুমি আলো |
| তোমায় আমি |
| তোমায় আমি দেখেছিলাম |
| এসো |
| সে |
| অন্ধকারে |
| তোমায় আমি |
| তোমার আমার |
| জল |
| সবার ওপর |
| কে এসে যেন |
| রশ্মি এসে পড়ে |
| অনির্বাণ |
| অমৃতযোগ |
| ইতিবৃত্ত |
| আমি |
| চিঠি এল |
| হৃদয় তুমি |
| অন্তর বাহির |
| আজ |
| রাত্রি ও ভোর |
| মনকে আমি নিজে |
| তুমিই যদি |
| অনেক রক্তে |
| আজ |
| ফসলের দিনে |
| মরুতৃণোজ্জ্বলা |
| পৃথিবী জীবন সময় |
| সূর্য নিভে গেলে |
| কোনও এক ব্যথিতাকে |
| এখন ওরা |
| স্বাতী তারা |
| আলোকপাত |
| এখন এ পৃথিবীর |
| নদী নক্ষত্র মানুষ |
| তোমাকে |
| শান্তি ভালো |
| জননী |
| শবের পাশে |

জীবনানন্দ -দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷ তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম৷ তার কবিতায় পরাবাস্তবের দেখা মিলে৷ জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী।
মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন ৷গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন৷
আরও দেখুনঃ